Friday, August 31, 2018

গরমে ঘামাচির যন্ত্রণা

গরমে ঘামাচির যন্ত্রণা


গরমে শরীরে লাল লাল ঘামাচি বের হতে দেখা যায়। এগুলো চুলকায়, জ্বলে ও বিরক্তিকর অনুভূতির সৃষ্টি করে। একে ইংরেজিতে প্রিকলি হিট র‍্যাশও বলা হয়। চিকিৎসাবিজ্ঞানে বলা হয় মিলিয়ারিয়া। শিশুরাই এতে বেশি আক্রান্ত হয়। কেননা তাদের শরীর অতিরিক্ত তাপমাত্রার সঙ্গে সহজে মানিয়ে নিতে পারে না এবং তাদের ঘর্মগ্রন্থির মুখ সহজেই আটকে যায়। শিশুদের মুখ, মাথা, কুঁচকি আর ঘাড়-গলায় বেশি ঘামাচি হয়। অতিরিক্ত ঘামের কারণে ঘাম জমে গিয়ে ঘর্মগ্রন্থির মুখ আটকে গেলে ঘামাচি ওঠে। বয়স্ক ব্যক্তিদের মধ্যে পারকিনসনস ডিজিজের রোগী ও ডাইউরেটিক, ট্রাংকুইলাইজার-জাতীয় ওষুধ যাঁরা খান, তাঁদেরও বেশি হয় এ সমস্যা।

গরমে ঘামাচির এই বিরক্তিকর সমস্যা এড়াতে আপনি যা করতে পারেন

*শরীরে ঘাম বেশি জমতে দেওয়া যাবে না। তাই ঘর্মাক্ত জামাকাপড় বারবার পাল্টাতে হবে। এমন কাপড়ের জামা পরতে হবে, যাতে বাতাস চলাচল করে ও ঘাম ত্বকে লেপটে না থাকে। সুতি, আরামদায়ক ও হালকা রঙের ঢিলেঢালা জামা পরলে ঘাম দ্রুত শুকিয়ে যায়।
*গরমের সময় ত্বকে পেট্রোলিয়াম জেলি বা তেলযুক্ত (অয়েল বেসড) কোনো ক্রিম লোশন লাগানো উচিত নয়। এতে ঘর্মগ্রন্থির মুখ আরও আটকে যায়।
*খুব গরমে ও বেশি ঘেমে গেলে বাড়ি ফিরে দ্রুত ফ্যান বা এসির সামনে বসুন। এরপর ঘর্মাক্ত জামা খুলে স্বাভাবিক তাপমাত্রার পানির ধারায় গোসল করে নিন। দরকার হলে এমন গরমে দু-তিনবারও গোসল করা যায়। শিশুরা ঘামে বেশি, তাই তাদেরও কয়েকবার গোসল করানো বা ঠান্ডা পানিতে ভেজা কাপড় দিয়ে স্পনজ করে দিতে পারেন। ঘর বদ্ধ করে রাখবেন না—জানালা-দরজা খুলে বাতাস চলাচল করতে দিন।
*ক্যালামিন লোশন চুলকানি ও লালচে ভাব কমাতে সাহায্য করবে। ক্যামফর বা মেনথল ত্বককে শীতল করে ও ঘামাচি নিরাময়ে সাহায্য করে। প্রিকলি হিট পাউডারে এগুলো থাকে। কিন্তু পাউডার বেশি ব্যবহার করলে এটি জমে আবার ঘর্মগ্রন্থি বন্ধ করে দিতে পারে।


ডা. মো. আসিফুজ্জামান, চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ, গ্রিন লাইফ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল

মার্স সংক্রমণ: হজ ফেরত হাজিদের জন্য সতর্কতা

মার্স সংক্রমণ: হজ ফেরত হাজিদের জন্য সতর্কতা
মার্স সংক্রমণ: হজ ফেরত হাজিদের জন্য সতর্কতা


এ বছর প্রায় সোয়া লাখ বাংলাদেশি হাজি পবিত্র হজ পালন শেষে দেশে ফিরতে শুরু করেছেন। সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের অন্য দেশগুলোয় মার্স-কোভি (MERS-CoV) বা মিডল-ইস্ট রেসপিরেটরি সিনড্রোম করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব রয়েছে। ২০১২ সালে প্রথম সৌদি আরবে এই ভাইরাস শনাক্ত হয়।

উট থেকে সাধারণত মানুষের দেহে মার্স-কোভির সংক্রমণ ঘটে। আক্রান্ত ব্যক্তির ঘনিষ্ঠ সংস্পর্শে এলে অন্য ব্যক্তিরও সংক্রমিত হওয়ার ঝুঁকি থাকে। এই ভাইরাস মানবদেহের শ্বাসতন্ত্রকে আক্রমণ করে। সামান্য সর্দি-জ্বর থেকে শুরু করে সার্স বা সিস্টেমিক ইনফ্লেমেটরি রেসপন্স সিনড্রোমের মতো মারাত্মক সমস্যা তৈরি করতে পারে এটি। সার্সে আক্রান্ত হলে কিডনি, ফুসফুসসহ বিভিন্ন অঙ্গ অকেজো পর্যন্ত হয়ে যেতে পারে।

মার্স-কোভির সংক্রমণের উপসর্গ হলো আক্রান্ত ব্যক্তির সর্দি, কাশি, জ্বর ও শ্বাসকষ্ট হতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয় রোগী। কিছু কিছু ক্ষেত্রে ডায়রিয়াও হতে পারে। অত্যন্ত বয়স্ক বা ডায়াবেটিস, কিডনি জটিলতা, দীর্ঘমেয়াদি ফুসফুসের রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে জটিলতা বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। এ ক্ষেত্রে প্রায় ৩৫ শতাংশ রোগীর মৃত্যুঝুঁকি দেখা দেয়।

চিকিৎসা ও প্রতিরোধ: এ রোগের নির্দিষ্ট কোনো চিকিৎসা ও টিকা নেই। রোগীর উপসর্গ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হয়। তাই এর প্রতিরোধ ও যথাযথ ব্যবস্থাপনা জনস্বাস্থ্যের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। হজ থেকে ফেরার দুই সপ্তাহের মধ্যে কোনো হাজির জ্বর, সর্দি-কাশি বা শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে নিকটস্থ চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে। বিষয়টি জনস্বাস্থ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনা করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সন্দেহজনক আক্রান্ত ব্যক্তিকে দ্রুত শনাক্ত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।

ডা. এ হাসনাত শাহীন, মেডিসিন, ডায়াবেটিস ও হরমোন রোগ বিশেষজ্ঞ, ইমপালস হাসপাতাল, তেজগাঁও, ঢাকা

Thursday, August 30, 2018

সতেজ ত্বক সজীব চুল Beauty Tips

 সতেজ ত্বক সজীব চুল


যেকোনো উৎসবেই আমরা অনেক ব্যস্ত থাকি। অতিথি আপ্যায়ন থেকে বন্ধুদের সঙ্গে ঘোরাফেরা, বেড়ানো—সবকিছু নিয়ে মেয়েদের ব্যস্ততা ও কাজ একটু বেশিই। তাই যেকোনো উৎসব বা আয়োজন, তা বিয়েবাড়ির হোক কিংবা ঈদ—নিজেদের যত্ন নেওয়া তেমন হয় না। বড় উৎসব বা বড় আয়োজনের পর একটু সময় বের করে নিজের যত্ন নিলে পরিচর্যাও হয়, সঙ্গে অবসাদও দূর হয়।

বড় উৎসবের পর প্রয়োজন ত্বক ও চুলের যত্ন। আবার অনিয়মের কারণে ত্বক নিস্তেজ হয়ে যায়। বাড়িতে বসেই ঘরোয়া পদ্ধতিতে চুল ও ত্বকের যত্ন আমরা নিতে পারি।




ঈদের পরের যত্ন
ঈদুল আজহায় পশু কোরবানি দেওয়া হয়ে থাকে। তাই বাড়িতে অনেক কাজ করতে হয়। অতিথি আপ্যায়ন করতে হয়, আবার অনেকে গ্রামের বাড়িতে যান কিংবা দূরদূরান্তেও ঘুরতে যান। তাতে অনেক ধকল যায়। সে কারণে ঈদের পর চাই বিশেষ যত্ন।

ঘরে তৈরি বিভিন্ন প্যাক ব্যবহার করে ত্বকে আবার সতেজ ভাব আনতে পারি। ত্বকের চর্চা করতে হবে এর ধরন অনুযায়ী। সাধারণত স্বাভাবিক, তৈলাক্ত, শুষ্ক, মিশ্র হয়ে থাকে। ত্বকের ধরন বুঝে যত্ন বা রূপচর্চা না করলে কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া সম্ভব নয়। একটা কথা সবার জানা দরকার, রূপচর্চার মাধ্যমে আমরা যেভাবেই ত্বকের পরিচর্যা করি না কেন, ত্বকে যেন উজ্জ্বল ও ভেজা ভাবটা থাকে। কিন্তু আমাদের ত্বক কালো থেকে সাদা করা সম্ভব নয়।

ত্বকের ধরন যেভাবে বুঝবেন

ত্বক কী ধরনের, তা বোঝার জন্য রাতে মুখ ভালোভাবে ধুয়ে মুছে ঘুমাতে হবে। মুখে কিছু লাগানো যাবে না। সকালে ঘুম থেকে উঠে যদি দেখা যায় মুখটা খুব তেলতেলে, তবে বুঝতে হবে ত্বক তৈলাক্ত। আর যদি মুখে হালকা তৈলাক্ত ভাব থাকে, শুধু নাক ও কপাল একটু চকচকে, কিন্তু চোখের কোণ খানিকটা শুকনো এবং টিস্যু পেপার দিয়ে মুখ মুছলে খুব একটা তৈলাক্ত থাকে না, তবে সে ত্বক স্বাভাবিক।

মিশ্র ত্বকে মুখের বিভিন্ন অংশের ত্বকের প্রকৃতি বিভিন্ন রকম হয়ে থাকে। নাক ও কপালে হয়তো তেলতেলে ভাব, আবার গালের ত্বক শুকনা—এগুলোই মিশ্র ত্বকের বৈশিষ্ট্য।

শুকনো ত্বক দেখলেই বোঝা যায়। এমন ত্বকে তেলতেলে ভাব দূরের কথা, সতেজ ভাবও থাকে না। অল্পেই বলিরেখা পড়ে যায়।




যে ত্বকের যেমন যত্ন
স্বাভাবিক ত্বক: সাধারণত সমস্যা কম থাকে। অনেকে মনে করেন স্বাভাবিক ত্বকের তেমন যত্ন নেওয়ার প্রয়োজন নেই। কিন্তু একটা বয়সের পর ত্বক নিজেকে আর ধরে রাখতে পারে না। তাই এ-জাতীয় ত্বকেরও পরিচর্যা করা উচিত। দিনে-রাতে মিলিয়ে কম করেও পাঁচবার পান‌ি দিয়ে মুখ ধুতে হবে। এতে ধুলাবালু লোমকূপে আটকে থাকতে পারবে না। সপ্তাহে অন্তত দুই-তিন দিন ফেসপ্যাক লাগাতে হবে। ফেসপ্যান লাগনোর ১৫-২০ মিনিট পরে মুখ ভালো করে স্বাভাবিক ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে। এতে মুখের উজ্জ্বলতা বাড়বে। স্বাভাবিক ত্বকের জন্য কয়েকটি ফেসপ্যাক:

১. কমলালেবুর খোসা বাটা, জলপাই তেল ও কাঁচা ডিমের কুসুম একত্রে মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন। মুখে লাগিয়ে ১৫-২০ মিনিট রেখে স্বাভাবিক ঠান্ডা পানিতে মুখ ধুয়ে ফেলতে হবে।

২. কাঁচা ডিমের কুসুম, ১ চা-চামচ বেসন ও দুধের সর একত্রে পেস্টের মতো করে ১৫-২০ মিনিট রেখে প্রথমে কুসুম গরম পানি, পরে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে।




তৈলাক্ত ত্বক

ভালো বলা হলেও তৈলাক্ত ত্বকের সমস্যা বেশি। এ ত্বক অবশ্য বেশি বয়স পর্যন্ত সজীব থাকে, বলিরেখা সহজে পড়ে না। গরমকালে এই ধরনের ত্বক থেকে বেশি পরিমাণ তেল বের হয়। তাই অন্যান্য ত্বকের তুলনায় এ ত্বকের যত্ন বেশি নিতে হয় ও পরিষ্কার রাখতে হয়। দিনে-রাতে মিলিয়ে ৮-১০ বার মুখ ধুয়ে পরিষ্কার করলে ভালো। তা না হলে ব্রণ, ব্ল্যাক হেডস, ফুসকুড়ি হওয়ার আশঙ্কা থাকে। ফলে মুখে দাগ পড়ে যায়।

এ-জাতীয় ত্বক সাবান বা বেসন দিয়ে ধুয়ে পরিষ্কার করা উচিত। মেকআপ করার আগে কোনো অ্যাস্ট্রিনজেন্ট লোশন তুলো ভরিয়ে মুখে লাগাবেন। এর ফলে মুখ থেকে বেশি তেল বেরিয়ে মেকআপ নষ্ট হবে না। দিনে দুই-তিন লিটার পানি পান করবেন। বেশি তেল, ঘি, ভাজাপোড়া, মসলাযুক্ত খাবার খাবেন না। ক্রিম তৈলাক্ত ত্বকে না দেওয়াই ভালো। এতে ব্রণ হওয়ার আশঙ্কা খুব বেশি।

তৈলাক্ত ত্বকের কয়েকটি ফেসপ্যাক

১. মসুর ডাল বাটা, দুধের সর একত্রে ১৫-২০ মিনিট মুখে রেখে প্রথমে হালকা গরম পানি এবং পরে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে।

২. জলপাইয়ের তেল, কাঁচা ডিমের কুসুম ও মসুর ডাল বাটা একত্রে মুখে মেখে ১৫-২০ মিনিট পর ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে।




শুষ্ক ত্বক

এ ধরনের ত্বকে যত্ন নিতে হবে বেশি। তা না হলে বয়স হলেই বলিরেখা পড়তে চায় এবং ত্বক কুঁচকে যেতে থাকে। পুরোনো ত্বকে সব সময় তৈলাক্ত কিছু না কিছু লাগাতে হবে। বেশি সাবান ব্যবহার করা উচিত নয়। মুখ ধোয়ার পর সব সময় কোনো স্কিন টনিক বা ফ্রেশনার লাগাবেন। ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়বে। প্রচুর পানি পান করবেন এবং রাতে ঘুমানোর আগে মুখ ধুয়ে সমপরিমাণ পানির সঙ্গে গ্লিসারিন মিশিয়ে মুখে মাখতে পারেন। মুখের ত্বক নরম থাকবে।

শুকনো ত্বকের জন্য ফেসপ্যাক

১. কাঁচা হলুদ, দুধের সর, শসার রস ও বেসন একত্রে মিশিয়ে ১৫-২০ মিনিট মুখে লাগিয়ে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

২. শসার রস, কয়েক ফোঁটা জলপাইয়ের তেল, মসুর ডাল বাটা ও মধু একসঙ্গে মিশিয়ে মুখে ১৫-২০ মিনিট রাখুন। তারপর ঠান্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন।



মিশ্র ত্বক

দিনে-রাতে কম করে পাঁচবার হলেও মুখ ধুয়ে পরিষ্কার রাখতে হবে। মিশ্র ত্বকের শুকনা জায়গায় পরিচর্যার দরকার হয়। মুখ ধোয়ার পর তৈলাক্ত অংশে অ্যাস্ট্রিনজেন্ট লোশন ও শুকনা অংশে ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করতে হবে।

মিশ্র ত্বকের বেলায়ও কিছু নিয়ম মানতে হবে। যেমন মাঝেমধ্যে ভাপ নেওয়া, সপ্তাহে তিন-চার দিন ফেসপ্যাক লাগাতে হয়, রাতে ঘুমানোর আগে ভালোভাবে মুখ ধুয়ে ক্রিম লাগাবেন। শুকনা অংশে তৈলাক্ত ক্রিম এবং তৈলাক্ত অংশে লোশন ক্রিম লাগাবেন, বেশি করে পানি পান করবেন। খাবারে ভিটামিন সি, এ, ডি রাখবেন।

মিশ্র ত্বকের জন্য কয়েকটি ফেসপ্যাক

১. ডিমের সাদা অংশ একটু, ২ চামচ কমলার রস, ১ চা-চামচ মধু মিশিয়ে মুখে ১৫ মিনিট রেখে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে।

২. দুধের সর, বেসন, লেবুর রস মিলিয়ে মুখের ওপর ১৫ মিনিট রেখে প্রথমে হালকা গরম, পরে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে।




স্পর্শকাতর ত্বক

নানা ধরনের প্রসাধন ব্যবহার করার ফলে অনেকের ত্বক স্পর্শকাতর (সেনসিটিভ) হয়ে ওঠে।

এমন ত্বকের জন্য টক দই খুব ভালো। টক দই, সয়াবিনগুঁড়া দিয়ে প্যাক বানিয়ে লাগালে ত্বক ভালো থাকবে।

এ ছাড়া বেশি করে পানি পান করতে হবে। সঙ্গে মৌসুমি সবজি ও ফল, যেমন গাজর, মাল্টা, অরেঞ্জ, আমড়া খেলে ত্বক ভালো থাকবে।




চুলের জন্য প্যাক

রুক্ষ চুলের জন্য: দুধ, মধু ও ডিমের সাদা অংশ মিশিয়ে মাথায় ২০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলতে হবে। যার যার চুলের দৈর্ঘ্যের ওপর প্যাকের পরিমাণ নির্ভর করবে।

সব ধরনের চুল: টক দই ১ কাপ, পাকা কলা ১টা, মেথি ১ টেবিল চামচ ও মধু ১ টেবিল চামচ একসঙ্গে মিশিয়ে ব্লেন্ড করে মাথায় ২০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেললে ভালো ফল পাওয়া যায়।

এ ছাড়া তেলের সঙ্গে লেবুর রস ও ভিটামিন ই তেল দিয়ে মাথার চুল মালিশ করলেও ভালো ফল পাওয়া যায়।

লেখক: আয়ুর্বেদিক রূপবিশেষজ্ঞ।



Tuesday, August 21, 2018

6 uses of botchaphaya silverware



The nutritional quality of bayagatara helps keep body free from many problems. Not only that, there are many extraordinary uses of the bayagazine. And that is the Ruppanchaya. Surprised?

Boldskay has recently been informed about the lifestyle usage of six bayasatara in Ruppanchaya. Let's see, some of the extraordinary uses of bayajapara in Ruppanchaya.

1. Put two cups of water in a pan, cover with five dry bay leaves. Then take off the lid and take two minutes to a saucepan. Then cover the saucepan with a towel and cover it with your skin. In this way, enough to take a filling of ten minutes. Do this twice a week, there will be no problem with acne and wrinkles.

2. Antifungal, antibacterial component of bariatase is particularly effective in removing any skin infections. The problem of small cuts, wounds and insect bites can be easily removed by raw granite juice.

3. You can use the bay leaves in the water to scrub it and use them for hair washing. The problem of hair loss will be completely eliminated. Besides, bayonetal oil will get rid of the problem of hair dandruff on the head of the skin.

4. Pour 50 grams of bay leaf powder and keep burning it in 400 ml water until it reaches 100 ml. When dry, separate the water from the water. At the beginning of this water hair, massage the skin on your head well. Wash the hair for three to four hours. The problem will be solved, lice problems.

5. Brush the teeth with bitter powder mixed with toothpaste. You can see that the stains in the tooth are very far away. But do not resort to this method frequently.

6. Raw bay papaya can produce oils of bay leaves oiled by olive oil. If you use this oil in the body, mosquitoes will be away and you may be protected from bites of mosquito bites.

ত্বকের যত্নে ভিটামিন ‘ই’-এর পাঁচ ব্যবহার



ভিটামিন-ই ট্যাবলেটের মধ্যে থাকা তেল নিয়মিত মুখে লাগালে ত্বকের ভেতরের পুষ্টির ঘাটতি দূর হয়। এতে স্বাভাবিকভাবেই ত্বক ফর্সা হয়ে ওঠে। সেই সঙ্গে সার্বিক সৌন্দর্য বাড়ে। তাই অল্প সময়ে ত্বককে সুন্দর করতে ভিটামিন-ই ট্যাবলেটকে কাজে লাগাতে ভুলবেন না যেন!

ত্বকের যত্নে ভিটামিন-ই কীভাবে ব্যবহার করতে হবে এই বিষয়ে জানিয়েছে জীবনধারাবিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাই।

১. মুখের দাগ দূর করতে

ভিটামিন-ই হলো এক ধরনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা ত্বকের কোষের ক্ষত সারানোর মধ্যে দিয়ে যেকোনো দাগকে দূর করতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে। সেই সঙ্গে ত্বকের হারিয়ে যাওয়া আর্দ্রতা ফিরিয়ে ত্বকের সৌন্দর্য বাড়াতে এই ভিটামিনের কোনো বিকল্প নেই বললেই চলে।

এ ক্ষেত্রে একটি ভিটামিন-ই ট্যাবলেট নিয়ে তার ভেতরে থাকা তরল সংগ্রহ করুন। তারপর সেই তরল মুখে লাগিয়ে অন্তত পাঁচ থেকে ১০ মিনিট ভালো করে ম্যাসাজ করুন। এরপর ৩০ মিনিট অপেক্ষা করে হালকা গরম পানি দিয়ে মুখটা ধুয়ে ফেলুন।

২. চুলের সৌন্দর্য বাড়াতে

স্কাল্পের ভেতরে ভিটামিন-ই এর মাত্রা বাড়াতে থাকলে হেয়ার ফলিকেলের ক্ষতি রোধ হয়। এতে চুল পড়ার মাত্রা যেমন কমে, তেমনি চুলের ভেতরে পুষ্টির ঘাটতি দূর হওয়ার কারণে চুলের সৌন্দর্য বাড়ে।

অসময়ে যাতে চুল পেকে না যায়, সেদিকেও খেয়াল রাখে ভিটামিন-ই। দুটো ভিটামিন-ই ট্যাবলেট নিয়ে তার মধ্যে থাকা তরল উপাদান বের করতে হবে। এরপর এর মধ্যে দুই চামচ অলিভ অয়েল অথবা নারকেল তেল মিশিয়ে স্কাল্পে লাগিয়ে ভালো করে মাসাজ করতে হবে। এমনটা নিয়মিত করলে উপকার পাবেন।

৩. বলিরেখা কমায়

প্রতিদিন রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে ভিটামিন অয়েল মুখে লাগিয়ে ভালো করে ম্যাসাজ করুন। পরের দিন ঘুম থেকে উঠে মুখ ধুয়ে ফেলুন। এটি ত্বকের ভেতরে আর্দ্রতা বাড়াবে। এতে বলিরেখা কমবে ।

৪. হাতের যত্নে

কাপড় কাচতে বা বাসন মাজতে আমরা বাড়িতে যে সব পাউডার ব্যবহার করি, তাতে এত মাত্রায় কেমিকাল থাকে যে তার প্রভাবে হাতের অসুন্দর হয়ে পড়ে। এমন পরিস্থিতিতে হাতের সৌন্দর্য ধরে রাখতে কাজে লাগাতে পারেন ভিটামিন-ই ট্যাবলেট।

এ ক্ষেত্রে ভিটামিন-ই তেলের সঙ্গে অল্প পরিমাণ ময়েসশ্চারাইজিং ক্রিম মিশিয়ে সেই মিশ্রণটি হাতে লাগাতে শুরু করলে উপকার পাবেন।

৫. পুড়ে যাওয়া ত্বকের পরিচর্যায়
এই গরমে তাপমাত্রা যে হারে বাড়ছে তাতে বাড়ির বাইরে যাওয়ার অর্থই হল ত্বক পুড়ে যাওয়া। এমন পরিস্থিতিতে ত্বককে বাঁচাতে এবং পুড়ে যাওয়া থেকে ত্বককে রক্ষা করতে, কাজে লাগানো যেতেই পারেন ভিটামিন-ই ট্যাবলে।

চার থেকে পাঁচটি ভিটামিন-ই ট্যাবলেট থেকে তরল সংগ্রহ করে তার সঙ্গে সমপরিমাণ লেবুর রস মিশিয়ে মিশ্রণ বানান। তারপর সেটি ত্বকে লাগিয়ে ভালো করে ম্যাসাজ করুন। এটি ত্বকের পোড়াভাব কমতে সাহায্য করবে।

Monday, August 20, 2018

ফ্রিজ ঝকঝকে করে তোলার কিছু উপায়

ফ্রিজ ঝকঝকে করে তোলার কিছু উপায়


ঈদের বাকি দু’দিন। কোরবানির ঈদের আগে সব বাড়িতেই যে কাজটি অবশ্যই করা হয় তা হলো ফ্রিজ পরিষ্কার করা।

নানা ব্যস্ততায় এখনো যদি এই কাজটি করে না থাকেন তবে কাল পরশুর মধ্যেই করে ফেলুন। কারণ কোরবানির মাংসগুলো তো আর দুর্গন্ধযুক্ত ব্যাকটেরিয়ায় পূর্ণ ফ্রিজে সংরক্ষণ করা যায় না। জেনে নিন ফ্রিজ সহজে ঝকঝকে করে তোলার কিছু পদ্ধতি:

ফ্রিজে অনেকদিনের পুরনো কোনো খাবার থাকলে তা ফেলে দিন। অনেক সময় বেখেয়ালে অনেক খাবার ফ্রিজেই নষ্ট হয়। অপ্রয়োজনীয় কিছু থাকলে সেটাও বের করে ফেলুন। এছাড়াও পুরানো মাছ মাংস ধীরে ধীরে রেঁধে ঈদের আগেই ফ্রিজ যায়গা খালি করুন।

ডিপ ফ্রিজ বন্ধ করে বরফ গলিয়ে নিন। নরমাল ফ্রিজ থেকেও শাক-সবজি এবং ফল বের করে ফেলুন। পুরো ফ্রিজ খালি করুন।

বেকিং সোডা এবং পানি মিশিয়ে ঘন মিশ্রণ তৈরি করুন। এবার একটি স্পঞ্জ বা কাপড়ে এই মিশ্রণটি লাগিয়ে পুরো ফ্রিজের ভেতরে এবং বাইরে ঘষে মুছে নিন। ফ্রিজের ড্রয়ার বাইরে বের করে নরম ব্রাশ দিয়ে লেগে থাকা ময়লা তুলে ফেলুন।

একটি কাপড় হালকা গরম পানিতে ভিজিয়ে নিন। এবার বেকিং পাউডারের মিশ্রণটি ফ্রিজের ভেতর এবং বাইরে থেকে মুছে ফেলুন। কাপড়টি কিছুক্ষণ পর পর হালকা গরম পানিতে ভিজিয়ে নেবেন। এরপর আবার হালকা গরম পানিতে সামান্য লেবুর রস দিয়ে পুরো ফ্রিজের ভেতরে এবং বাইরে মুছে নিতে হবে। এতে ফ্রিজে কোনো দুর্গন্ধ থাকলে তা চলে যাবে।

ডিপ ফ্রিজে পুরনো রক্তের দাগ থাকলে ভিনেগার দিয়ে ভালো করে মুছে পরিষ্কার করে নিতে হবে।

এরপর ফ্রিজের সব খাবার, বক্স, বোতল আগের মতো করে রেখে দিতে হবে। এরপরেও যদি দুর্গন্ধ থাকে তাহলে এক টুকরা কাগজি লেবু কেটে ফ্রিজের এক কোনায় রেখে দিন। একদিন পর পর পরিবর্তন করে দিন।

Sunday, August 19, 2018

এই ৪ প্যাক রাতে ব্যাবহার করে ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়িয়ে নিন

এই ৪ প্যাক রাতে ব্যাবহার করে ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়িয়ে নিন


রাতের ফেসপ্যাক অনেকটা নাইট ক্রিমের মতো কাজ করে। এটি ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ানোর পাশাপাশি সুস্থ ত্বক পেতে সাহায্য করে।

ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে রাতের চারটি ফেসপ্যাকের কথা জানিয়েছে জীবনধারাবিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাই।

১. লেবু ও দুধের সরের ফেসপ্যাক
এক চা চামচ দুধের সর ও সামান্য লেবুর রস একসঙ্গে মিশিয়ে নিন। এটি সারা রাত মুখে লাগিয়ে রাখুন। সকালে ঠান্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। দুধের সর ত্বক ময়েশ্চারাইজ করে এবং লেবুর রস ত্বক উজ্জ্বল করতে সাহায্য করে।

২. আপেল ও ক্রিমের ফেসপ্যাক
একটি আপেল খোসা ছাড়িয়ে ব্লেন্ড করে নিন। একটি পাত্রে আধা কাপ ক্রিমের সঙ্গে আপেল পেস্ট মিশিয়ে প্যাক বানিয়ে নিন। এই প্যাক মুখে ও ঘাড়ে লাগিয়ে ১৫ থেকে ২০ মিনিট অপেক্ষা করুন। এরপর কুসুম গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। এই প্যাক ত্বকের ময়লা ও মৃত কোষ দূর করে ত্বক নরম করবে।

৩. বেসনের ফেসপ্যাক
এক টেবিল বেসন, এক টেবিল হলুদ গুঁড়া ও এক টেবিল চামচ কাঁচা দুধ একসঙ্গে মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন। ১০-১৫ মিনিট মুখে লাগিয়ে ধুয়ে ফেলুন। বেসন ত্বকের কালো দাগ দূর করে এবং হলুদ ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায়। এই প্যাক ব্রণ দূর করতে বেশ কার্যকর।

৪. টমেটো ও মধুর প্যাক
এক চা চামচ টমেটোর রস ও এক চা চামচ মধু মিশিয়ে প্যাক বানিয়ে নিন। এই প্যাক সারা রাত মুখে লাগিয়ে রেখে সকালে মুখ ধুয়ে ফেলুন।

এই ঈদে খুব সহজে ঘরে বসেই চুল স্ট্রেট করুন



পার্লারের গরম আয়রন ব্যবহার করে চুল স্ট্রেট করলে দীর্ঘমেয়াদে চুলের বিশাল ক্ষতি হয়। সেই ক্ষতি থেকে বাচার জন্য প্রাকৃতিক উপায়ে করে ফেলুন চুল স্ট্রেট। খুব সহজেই বাড়িতে বসে করতে পারেন কাজটি। বাড়িতে শুধু একটু দুধ থাকলেই হবে! দুধের পুষ্টিগুণ একদিকে আপনার চুলে বাড়তি শক্তি জুগিয়ে তা উজ্জ্বল ঝলমলে করে তুলবে, চুলের বৃদ্ধিও ভালো হবে, অন্যদিকে বিশেষ মিল্ক সলিউশন ব্যবহার করে চুল স্ট্রেট করতে পারবেন সহজেই।



চুল স্ট্রেট করতে যা লাগবে


আধকাপ দুধ (নারকেলের দুধ হলে সবচেয়ে ভালো), একটা স্প্রে বোতল আর একটা মোটা দাঁড়ার চিরুনি।



যেভাবে করবেন



প্রথমে স্প্রে বোতলে দুধ ভরে নিন। যত ঘন দুধ হবে, তত ভালো ফল পাবেন। গুঁড়ো দুধ গুলেও ব্যবহার করা যায়।



তারপর চুল ভিজিয়ে নিন। ভেজা চুলে সমানভাবে দুধ স্প্রে করুন। পর্যাপ্ত পরিমাণে দুধ স্প্রে করবেন, যাতে মাথার খুলি থেকে চুলের ডগা পর্যন্ত সবটাই দুধে ভিজে যায়।



তারপর চিরুনি দিয়ে আঁচড়ে চুলের জট ছাড়িয়ে নিন। জট পাকানো চুলে দুধ জমে থাকলে পরে ধোয়া মুশকিল হয়ে যাবে। জট ছাড়িয়ে ভালো করে স্ক্যাল্প মাসাজ করুন। অন্তত আধঘণ্টা রাখতে হবে যাতে চুলের গভীর পর্যন্ত দুধের পুষ্টি পৌঁছে যেতে পারে।



এবার ভালো করে চুল ধুয়ে নিন। শুকিয়ে গেলেই দেখবেন ঢেউ খেলানোভাব উধাও হয়ে চুল কতটা চকচকে আর সোজা হয়ে গেছে।



সূত্র: ফেমিনা ইন্ডিয়া

Saturday, August 18, 2018

কী খেলে রুচি বাড়বে?



মুখে মোটেও রুচি নেই, কিছুই খেতে ইচ্ছে করে না। কী খেলে রুচি বাড়বে? এমন প্রশ্ন অনেকের। নানা কারণে অরুচি হয় আমাদের। গ্যাসের সমস্যা, কোষ্ঠকাঠিন্য, যকৃৎ বা কিডনি রোগ, জ্বরের বা সংক্রমণের পর, নানা ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায়, এমনকি মানসিক চাপ বা বিষণ্নতার কারণেও রুচি কমে যায়। গর্ভাবস্থায় ও বাড়ন্ত শিশুদের খাবারে অনীহা দেখা যায়। খাবারে রুচি বাড়ানোর জন্য কিছু কৌশল:

• খাওয়ার শুরুতে বা মাঝখানে পানি পান করবেন না।

• খাবারের স্বাদ, রং, গন্ধ মানুষের রুচিকে প্রভাবিত করে। তাই খাবার আকর্ষণীয় করে পরিবেশন করুন।

• প্রতিদিন কিছু হালকা ব্যায়াম করুন বা হাঁটুন। বিপাকক্রিয়া বাড়বে ও খিদেও বাড়বে। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে বেশি করে আঁশযুক্ত খাবার খান।

• রোগবালাই, জ্বর সংক্রমণের পর কিছুদিন অরুচি থাকে। এ সময় পুষ্টিকর খাবার বেছে নিন। স্যুপ, ফলমূল, ফলের রস, মিল্কশেক, আমিষ ইত্যাদি খান।

• গ্যাসের সমস্যা না থাকলে খাবারে রুচি বাড়াতে নানা ধরনের মসলা যোগ করা যায়। যেমন: গোলমরিচ, এলাচি, আদা, রসুন, ভিনেগার, লেবুর রস, নানা পদের আচার দিয়ে খাবার খেতে পারেন। এগুলো রুচিবর্ধক। কিন্তু গ্যাসের সমস্যা হলে একটু কম মসলা দিয়ে সহজপাচ্য খাবার খান।

• ফাস্টফুড, কোমল পানীয়, চিপস জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলুন। এগুলো রুচি কমিয়ে দেয় ও অনেকক্ষণ পর্যন্ত পেট ভরিয়ে রাখে।

• অতিরিক্ত চা, কফি, ধূমপান খিদে কমিয়ে দেয়। দুগ্ধজাত খাবার, যেমন: পনির, দই ইত্যাদি রুচি বাড়ায়।

• রুচি বাড়াতে কাঁচা আমলকী বা শুকনো আমলকীর গুঁড়ো পানিতে মিশিয়ে, আদাকুচি বা আদার রস গরম পানি বা চায়ের সঙ্গে, পুদিনাপাতা, এলাচিগুঁড়া বা চিনি দিয়ে খেতে পারেন। ডালিমের রস, কমলা বা মালটা, লেবু রুচি বাড়ায়। খাদ্যে ব্রকলি, টমেটো, ধনেপাতা যোগ করুন।

অরুচি দীর্ঘস্থায়ী হলে, ওজন হ্রাস, জ্বর, দুর্বলতা ইত্যাদি থাকলে অবশ্যই চিকিৎসকের শরণাপন্ন হবেন।

এই গরমে ঘামের দুর্গন্ধ



এই গরমে শরীরে ঘামের দুর্গন্ধ নিয়ে অনেকেই বিব্রত হন। বাইরে গেলে শরীর ঘামবেই। ঘামের আসলে নিজস্ব গন্ধ নেই। ত্বকের ওপর লেগে থাকা ঘামে একধরনের ব্যাকটেরিয়ার উৎপত্তি হয় বলে এই দুর্গন্ধ হয়। তাই দুর্গন্ধ থেকে বাঁচতে শরীরে ঘাম যাতে না লেগে থাকে, তার ব্যবস্থা করা।

■ গরমে আঁটসাঁট ও কৃত্রিম তন্তুর পোশাক পরলে ঘাম হবে বেশি। পাতলা সুতির ও ঢিলে পোশাক পরুন, যাতে বাতাস চলাচল করতে পারে। এতে শরীর ঘামে ভিজে না।

■ যতটা সম্ভব প্রচণ্ড রোদ, গরম এড়িয়ে চলুন। গুমোট পরিবেশে না থেকে হাওয়া-বাতাস, ফ্যান বা এসি আছে—এমন জায়গায় কাজ করুন।

■ ঘেমে গেলে কাপড় পরিবর্তন করুন। এই গরমে প্রতিদিনকার পোশাক ধুয়ে পরা উচিত। পায়ের মোজা ও অন্তর্বাস বিশেষ করে আগের ব্যবহার করাটা পরবেন না।

■ প্রতিদিন গোসল করুন। শরীরের ভাঁজগুলোতে এন্টিব্যাকটেরিয়াল সোপ ঘষতে পারেন। তবে সাবান দিয়ে সব সময় ঘষতেই হবে এমন কথা নেই, পানির ধারায় নিজেকে পরিষ্কার করুন।

■ অ্যালুমিনিয়াম ক্লোরাইডের মিশ্রণ চিকিৎসকের পরামর্শে ব্যবহার করা যায়। অনেক এন্টিপারসপিরেন্ট ও ডিওডোরেন্টে এ উপাদান দেওয়া থাকে। ত্বক পরিষ্কার করার পর এটি ব্যবহার করা যায়।

■ মসলাযুক্ত খাবার, কফি, অ্যালকোহল ঘাম বাড়াবে। গরমে এগুলো কম খাওয়া ভালো।

■ মোটা মানুষদের ঘাম বেশি হয়। ওজন কমান। কৈশোরের শুরুতে ঘামে দুর্গন্ধ বাড়ে। এটি হরমোনের প্রভাব। এ নিয়ে দুশ্চিন্তার কিছু নেই।

Sunday, July 1, 2018

ব্রণের জন্য গ্রিন-টি



ব্রণের জন্য গ্রিন-টি



ত্বকের যত্নে গ্রিন-টির কোনও বিকল্প আছে বলে তো মনে হয় না। তাই তো সকাল-বিকাল গ্রিন টি খাওয়া পরামর্শ দেন অনেকে। এই বিশেষ ধরনের চা-টি শুধু ত্বককে সুন্দর করে না, সেই সঙ্গে নানা রোগের প্রকোপ কমাতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। আসলে এতে রয়েছে প্রচুর মাত্রায় অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, যা শরীর থেকে নানা ক্ষতিকর উপাদানকে বার করে দেয়। ফলে নানা ধরনের ছোট-বড় রোগ সব দূরে থাকে। কিন্তু আজ গ্রিন টির অন্য় এক ধরনের ব্য়বহার নিয়ে আলোচনা করা হবে এই প্রবন্ধে। একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে টেনার হিসাবে গ্রিন টি দারুন কার্য়করি। কিন্তু প্রশ্ন হল কীভাবে বানাতে হবে এটি। সম্প্রতি জীবনধারাবিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাইয়ে জানানো হয়েছে ব্রণের জন্য গ্রিন-টি ব্যবহারের নিয়ম। চলুন জেনে নেওয়া যাক সে সম্পর্কে।


উপকরণ

১. দু চামচ গ্রিন টি

২. এক বাটি জল


কিভাবে বানাতে হবে

১. একবাটি জল নিয়ে প্রথমে ফুটিয়ে নিন জলটা।

২. যখন দেখবেন জলটা ফুটতে শুরু করেছে তখন তাতে পরিমাণ মতো গ্রিন টি দিয়ে দিন।

৩. কিছুক্ষণ ফোটান জলটাকে।

৪. যখন দেখবেন জলটা গাড় হলুদ হয়ে গেছে তখন আঁচটা বন্ধ করে দিন।

৫. জলটা ঠান্ডা করুন।

৬. একটা কন্টেনারে ঢেলে রাখুন জলটা।


কিভাবে ব্যবহার করবেন

১. জলটা ফ্রিজে রাখতে হবে।

২. একটা তুলোতে অল্প করে গ্রিন-টির জলটা নিয়ে মুখটা পরিষ্কার করুন।

৩. যখন দেখবেন গ্রিন-টির জলটা একেবারে শুকিয়ে গেছে তখন মুখটা ঠান্ডা জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

৪. দিনে দুবার এমন করলে দেখবেন ব্রণ কমতে শুরু করবে।


গ্রিন-টির উপকারিতা

১. যে যে ক্ষতিকর উপাদানের কারণে ব্রণ হয় সেগুলির কর্মক্ষমতা কমিয়ে ফেলে গ্রিন টিতে উপস্থিত অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট।

২. প্রকৃতিক সান স্ক্রিন হিসেবেও কাজ করে গ্রিন টি।

৩. ত্বকের বয়স কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয় এই চা-টি।

৪. গ্রিন টিতে উপস্থিত পলিফেনেল ব্রণ হওয়ার আশঙ্কা কমায়।

৫. বলি রেখা কমায় গ্রিন টি টোনার।

৬. ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায়।

৭. সূর্য়ের অতি বেগুনি রশ্মির ক্ষতিকর প্রভাব থেকে ত্বককে বাঁচায়।

৮. ত্বকের নানা রোগের প্রকোপ কমায়।

৯. হ্রাইপার পিগমেন্টটেশন কমায়।

১০. ত্বকের চিদ্রগুলিকে ছোট করতে সাহায্য় করে গ্রিন টিতে উপস্থিত অ্যাসট্রিনজেন্ট নামে একটি উপাদান।

১১. ত্বকের তৈলাক্তভাব কমায়।

১২. ব্লেক হেডসের প্রকোপ কমায়।

১৩. ত্বককে ভেতর থেকে সুন্দর করে তুলতে গ্রিন টি সাহায্য করে।

১৪. ডার্ক সারকেল কমায়।